বুয়েট শিক্ষার্থী সানির মৃত্যু : ফের পেছিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ অক্টোবর

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:০৫  

দোহারের মৈনটঘাটে পদ্মার পানিতে ডুবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২২ আগস্ট মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। সেদিনও দাখিল না করায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছিলো।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই একসঙ্গে ১৫-১৬ যুবক পদ্মা নদীতে ঘুরতে যান। এর মধ্যে সন্ধ্যার পর নিখোঁজ হন সানি। রাতেই স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দোহার থানা-পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। ১৫ জুলাই সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ। এ ঘটনায় ওইদিন বিকালে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন– শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, মো. রুবেল, মো. সজীব, মো. নুরুজ্জামান, মো. নাসির, মো. মারুফ, মো. আশরাফুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডেও নেয়। রিমান্ড শেষে তারা বর্তমানে কারাগারে।